ছাত্রছাত্রীদের পালনীয় নিয়মাবলী
Studentsবিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, পাঠপরিবেশ ও দৈনন্দিন দায়িত্ব সংক্রান্ত নির্দেশাবলী
- বিদ্যালয়ে আশ্রমিক পবিত্র পরিবেশ বজায় রাখার প্রতি অত্যধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই বিদ্যামন্দিরের সুস্থ সুন্দর পরিবেশ রক্ষার্থে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীরা যত্নবান হবে।
- নিয়মিত যোগাযোগের জন্য পাঠ-সহায়িকা সকল ছাত্রছাত্রীকে নির্ধারিত মূল্যে বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং প্রতিদিন উক্ত পাঠ-সহায়িকা পাঠকক্ষে আনতে হবে।
- সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হবে এবং ১০টা ৫০ মিনিটে প্রার্থনায় যোগদান করতে হবে।
- কোনো কারণে ছাত্র-ছাত্রী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে না পারলে পরবর্তী উপস্থিতির দিন পাঠসহায়িকার নির্দিষ্ট স্থানে অভিভাবকের স্বাক্ষর সহ অনুপস্থিতির কারণ জানিয়ে শ্রেণি-শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে।
- বিদ্যালয়ের কর্মদিবসের কমপক্ষে শতকরা আশি দিন উপস্থিত না থাকলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
- বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন চলাকালীন কোনো ছাত্রছাত্রীকে নির্দিষ্ট কারণ এবং অভিভাবকের উপস্থিতি ও সম্মতি ব্যতীত বিদ্যালয় ত্যাগ করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
- পাঠ চলাকালীন কোনো ছাত্রছাত্রী বিশেষ কারণ ব্যতীত শ্রেণিকক্ষের বাইরে আসতে পারবে না। কেবল তৃতীয় ও ষষ্ঠ পিরিয়ডে জলপান বা শ্রেণিকক্ষের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। শ্রেণি-শিক্ষকের অবর্তমানে শ্রেণি-প্রতিনিধি বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেবে। একজন ছাত্র সারাদিনে একবার মাত্র বাইরে যাওয়ার অনুমতি পাবে।
- প্রত্যেক শ্রেণিকক্ষের জন্য তিনজন প্রতিনিধি, শ্রেণি-শিক্ষকের সাহায্যে ছাত্ররাই নির্বাচন করবে।
- মোট তিনটি পর্যায়ে প্রতি শিক্ষাবর্ষের পাঠসূচী বিভক্ত করা হয়েছে এবং উক্ত সূচী অনুসারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতি পরীক্ষার পর নির্দিষ্ট দিনে উত্তরপত্র শ্রেণিকক্ষে দেখানো হবে। নির্ধারিত দিনে প্রগতিপত্র শিক্ষকের মন্তব্য সহ অভিভাবকের হাতে দেওয়া হবে। যথাসময়ে প্রগতিপত্র না নিলে ৫০ টাকা আদায় দিয়ে নতুন প্রগতিপত্র পাওয়া যেতে পারে।
- পরীক্ষা চলাকালীন কোনো ছাত্রছাত্রী অসদুপায় অবলম্বন করলে তার পরীক্ষা বাতিল হতে পারে এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।
- বিদ্যামন্দিরের আসবাবের কোনো ক্ষতি করলে সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে। নির্দিষ্ট দোষী ছাত্রছাত্রী ধরা না পড়লে, ওই শ্রেণিকক্ষের সকল ছাত্রছাত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে।
- গর্হিত আচরণ বা শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে অপরাধের গুরুত্ব বিচার করে, অভিযুক্ত ছাত্র-ছাত্রীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
- বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন আনা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ছাত্রছাত্রীরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে মোবাইল ফোন আনতে পারে।
- শ্রেণি-প্রতিনিধিদের পালনীয় কর্তব্য—
- নিজ নিজ শ্রেণির উপস্থিতির সংখ্যা প্রতিদিন বোর্ডে লিখে রাখবে।
- শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলাভঙ্গকারী বা অসৎ আচরণকারীর নাম লিখে রাখবে ও শ্রেণি-শিক্ষক মহাশয় এলে তাঁকে জানাতে হবে।
- কোনো ছাত্র বা ছাত্রী ক্লাস পালালে বা শ্রেণিকক্ষের বাইরে থাকলে শ্রেণির শিক্ষক মহাশয়কে জানাবে।
- শ্রেণিতে শ্রেণি-শিক্ষক না থাকাকালীন শ্রেণিকক্ষের শৃঙ্খলা রক্ষা করবে।
- দৈনন্দিন পাঠ পরিচালনায় শ্রেণির শিক্ষক মহাশয়কে সাহায্য করবে।
ছাত্রছাত্রীদের পোশাক সম্পর্কিত তথ্য
School uniform- নেভি ব্লু প্যান্ট (হাফ অথবা ফুল), সাদা জামা (হাফ অথবা ফুল), শীতের দিনের জন্য নেভি ব্লু সোয়েটার।
- সাদা কেডস অথবা কালো বুট ও সাদা মোজা।
- মেয়েদের জন্য নির্দিষ্ট সালোয়ার কামিজ। সাদা কেডস অথবা কালো বুট ও সাদা মোজা।
- অবশ্যই স্কুল ব্যাজ প্রতিদিন পরে আসতে হবে।
- নির্ধারিত পোশাক, জুতো ও ব্যাজ পরে না আসলে ছাত্র/ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
